নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের শীর্ষ স্থানীয় প্রতিষ্ঠান নাসা গ্রুপের কর্ণধর মোঃ নজরুল ইসলাম মজুমদার। নিজের বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে যেমন রেখেঝেন অবদান। ঠিক তেমনি একজন মানবিক মানুষ হিসেবেও রয়েছে তার খ্যাতি। জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ডে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন সবসময়।
চিকিৎসাখাতেও তিনি মানুষের পাশে ছিলেন, রাজাপুর, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লায় করেছেন বিনামূল্যের হাসপাতাল সেবা। সেখানে সাধারণ মানুষ বিনামূল্যে সেবা নিয়ে হয়েছেন উপকৃত।
দুটি হাসপাতাল ভবন নির্মিত হয়েছে ২২,৬৫১ বর্গফুট জায়গা নিয়ে। দুটি ভবনের একটি ৪তলা বিশিষ্ট ও অন্যটি ৬ তলা বিশিষ্ট। পর্যায়ক্রমে একটি ২০০৭ সালে নির্মিত । যেখানে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসাৎ সেবা দেওয়া হয়। অন্যটি ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত । যেটি বিশেষভাবে স্ত্রীরোগ ও শিশু চিকিৎসার জন্য। ১০০ বেডের সক্ষমতা (রেজিস্টার্ড বেড ২০টি) ও ৫টি ওয়ার্ড। রয়েছে ৬ জন ডাক্তার ও ৭৯ জন স্বাস্থ্যকর্মী। প্রতিদিন গড়ে ৭০৭৫ জন রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। আর ওষুধ উৎপাদনমূল্যে সরবরাহ করা হয়। হাসপাতালটি সম্পূর্ণভাবে অলাভজনক ও ব্যক্তিগতভাবে অর্থায়িত।
রাজাপুরে গড়ে তুলেছেন বিশেষ গর্ভকালীন ও প্রসূতি সেবা কেন্দ্র। হাসপাতালের মাধ্যমে দরিদ্র ও গ্রামীণ এলাকার নারীদের জন্য বিশেষ স্ত্রীরোগ ও শিশু চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। নিম্ন আয়ের নারীরা এখানে স্বল্পমূল্যে উন্নত চিকিৎসা পান।
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতেও রেখেছে অনবদ্য ভূমিকা। রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটের শুরু থেকে উখিয়ায় ৬০ বেডের একটি হাসপাতাল স্থাপন ও পরিচালনা করছেন। এখানে রোহিঙ্গাদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহ করা হয়।
রাজাপুর, লক্ষ্মীপুরে বিনামূল্যে মাদ্রাসা শিক্ষাঃ এই মাদ্রাসায় ৬৪০ জন ছাত্র ও ২৫ জন শিক্ষক রয়েছেন। ছাত্র ও শিক্ষক উভয়ের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা, আবাসন ও খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। পুরো প্রতিষ্ঠানটি নাজরুল ইসলাম মজুমদারের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত।
এছাড়াও তিনি শীতকালীন কম্বল বিতরণ করেন শীতার্তদের মাঝে। প্রতি বছর গড়ে ৪০,০০০, ৫০,০০০ কম্বল বিতরণ করা হয় গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের মাঝে।
ঈদ উপলক্ষে নতুন পোশাক বিতরণেও পিছিয়ে নেই তিনি। প্রতি ঈদে প্রায় ৫০,০০০ লুঙ্গি ও ৭০,০০০ শাড়ি বিতরণ করা হয় অসহায় মানুষের মধ্যে।
সামাজিক, শিক্ষা ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে অনুদানে তিনি এগিয়ে থাকতেন সবসময়। বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মসূচি, শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম এবং স্থানীয় ও জাতীয় ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকেন।
নজরুল ইসলাম মজুমদার শুধু একটি নাম নয় বরং একজন মানবিক ব্যক্তিত্ব। যিনি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যেমন অবদান রেখেছেন ঠিক তেমনি মানুষের সেবায় বিলিয়ে দিয়েছিলেন।
Leave a Reply