1. admin@news24hour.net : admin :
কুড়িগ্রামে ৯ প্রতিষ্ঠানে ৭০ পরীক্ষার্থী, পাস করেনি কেউ - নিউজ ২৪ আওয়ার
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন

কুড়িগ্রামে ৯ প্রতিষ্ঠানে ৭০ পরীক্ষার্থী, পাস করেনি কেউ

  • প্রকাশিত : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

নিউজ24আওয়ার ডেস্ক : দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় কুড়িগ্রামের নয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ জন পরীক্ষায় অংশ নিলেও উত্তীর্ণ হননি একজনও।

শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলের তালিকা অনুযায়ী, শূন্য পাসের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রৌমারী উপজেলার চর শৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ থেকে ২৪ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। নাগেশ্বরী মডেল কলেজ থেকে ১৫ জন, রাজারহাটের সিঙ্গার ডাবরিরহাট কলেজ থেকে ১০ জন এবং সিঙ্গার ডাবরিরহাট বি.এল. হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ছয়জন পরীক্ষায় অংশ নেন।

এ ছাড়া নাগেশ্বরীর কুটি পায়রাডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাঁচজন, ছিলাখানা মডেল কলেজ থেকে চারজন, উলিপুরের হজরত ফাতেমা (রা.) পৌর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে তিনজন, চিলমারীর দক্ষিণ খাউরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুজন এবং রাজারহাটের পাঙ্গারাণী লক্ষ্মী প্রিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে একজন পরীক্ষায় অংশ নেন। এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি।

এদিকে কুড়িগ্রাম জেলার সামগ্রিক ফলাফলও হতাশাজনক। এ বছর জেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন ১১ হাজার ৭২২ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন চার হাজার ৭৭৩ জন। জেলায় গড় পাসের হার ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ।

জেলায় ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের পাসের হার বেশি। পাঁচ হাজার ৬৮৩ জন ছাত্রের মধ্যে পাস করেছেন ৩৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ। অন্যদিকে, ছয় হাজার ৩৯ জন ছাত্রীর পাসের হার ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ।

এ বছর জেলায় মোট ১৩৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫৯ জন ছাত্র এবং ৭৭ জন ছাত্রী। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন আট জেলার মধ্যে পাসের হারে কুড়িগ্রামের অবস্থান ষষ্ঠ।

উলিপুরের হজরত ফাতেমা (রা.) পৌর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হাফিজ রহুল আমিন জানান, তার প্রতিষ্ঠানের তিন পরীক্ষার্থীর সবাই বিবাহিত। সংসারের চাপের কারণে তারা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারেননি।

তিনি বলেন, আমরা চাই সবাই পাস করুক। কিন্তু শিক্ষার্থীদের আগ্রহ না থাকলে ভালো ফল করা কঠিন।

এ বিষয়ে সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই সিদ্দিকী জানান, তারা সাধারণ মাধ্যমিক শাখার কার্যক্রম দেখভাল করেন। উচ্চমাধ্যমিক শাখা সরাসরি শিক্ষা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের ফল বিপর্যয়ের বিষয়ে তারা বিস্তারিত অবগত নন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ নিউজ ২৪ আওয়ার
Theme Customized By Shakil IT Park