সাঁতার না জেনেই শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে নেমেছিল সুবর্ণা আক্তার ও মার্জিয়া আক্তার মীম। দুজনই দশম শ্রেণির ছাত্রী। বাড়িও একই এলাকায়। তপ্ত দুপুরে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে অন্য আরও কয়েকজন বান্ধবীর সঙ্গে সুবর্ণা ও মীম শীতলক্ষ্যায় গোসল করছিল। এক পর্যায়ে তারা দুজনই তলিয়ে যায় নদীতে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গোসিঙ্গা ইউনিয়নের মেরিনা আবাসিক প্রকল্প সংলগ্ন শীতলক্ষ্যায় এ ঘটনা ঘটে। এর ৪ ঘণ্টা পর সুবর্ণার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে ডুবুরিদল খুঁজে পায় মীমের নিথর দেহ।
গোসিঙ্গা ইউনিয়নের খোজেখানী গ্রামের শ্যামল মোড়লের মেয়ে সুর্বণা ও একই এলাকার মিলন মিয়ার মেয়ে মীম গোসিঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। স্বজনরা জানান, দুপুরের দিকে কয়েকজন মিলে শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে মীম ও তার বান্ধবী সুবর্ণা নদীতে তলিয়ে যায়। পরে অন্যরা বিষয়টি বাড়িতে জানালে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন নদীতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এ সময় সুবর্ণার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ডুবুরিদল এসে সন্ধ্যা ৭টার দিকে মীমের লাশ উদ্ধার করে।
সুবর্ণার চাচা আকরাম হোসেন বলেন, সুর্বণা ও মীম সাঁতার জানত না। এশার নামাজের পর জানাজা শেষে সুবর্ণাকে দাফন করা হয়।
মাওনা ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর সারোয়ার হোসেন বলেন, স্থানীয়রা একজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ডুবুরিদল এসে তল্লাশি চালিয়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে মীমের মরদেহ উদ্ধার করে।
শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সাহা বলেন, স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
Leave a Reply