1. admin@news24hour.net : admin :
তোমাদের মাঝ রাতের ফোনালাপ আমার সত্যিই প্রবলেম করে: পরীমনি - নিউজ ২৪ আওয়ার
বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:০৫ অপরাহ্ন

তোমাদের মাঝ রাতের ফোনালাপ আমার সত্যিই প্রবলেম করে: পরীমনি

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১১ নভেম্বর, ২০২২
  • ১২৫ বার পঠিত

নিউজ24আওয়ার ডেস্কঃ ঢাকাই সিনেমার দুই জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি ও মিমের দ্বন্দ্বে সিনেমাপাড়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় স্নায়ুযুদ্ধ বেশ জমে উঠেছে। মূলত ফেসবুকে দুই নায়িকার পাল্টাপাল্টি স্ট্যাটাসে তাদের মধ্যকার দ্বন্দ্বের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

মূলত স্বামী অভিনেতা শরিফুল রাজকে নিয়ে মিমের সঙ্গে পরীমনির সম্পর্কের টানাপোড়েন। পরীমনির মতে রাজ-মিমের ‘অতি মাখামাখি’ তার সংসারের সুখ কেড়ে নিয়েছে।

শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার পর মিম ও রাজকে নিয়ে আবারও নিজের ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন পরীমনি।

ফেসবুক পোস্টে পরীমনি বলেন, ‘আসেন তা হলে কিছু বিষয় ক্লিয়ার করি। এই যে মিম বলল— আমি জেলাসি করলাম তোমার সঙ্গে! এটা ১০ জন আননোন লোকে বলতেই পারে; কিন্তু তুমি কি করে এটি বলো? যেখানে পরাণ রিলিজের পর সবখানে আমি বলে আসছি— রাজের সঙ্গে তুমি জুটি হয়ে কাজ করো। তোমাদের জুটি দেখতে ভালো লাগে। এটি তোমরাও চাও।’

তিনি বলেন, ‘তোমার মাও সেদিন আমাদের লিভিংরুমে আমার সঙ্গে এ নিয়ে কত কথা বললেন। এই তো সেদিন ইনফিনিটি সিজন-২ এর জন্য তোমাকে নক দিলাম আমি। কি করে ভুলে গেলি রে ভাই। ৫ দিন আগেও আবু রায়হান জুয়েল ভাইকে বললাম— রাজ আর মিমকে জুটি করে নেক্সট কাজটা করে ফেলেন ভাই।’

মিমকে উদ্দেশ করে পরীমনি বলেন, ‘কিন্তু বিশ্বাস কর ভাই মিম, রাজের সঙ্গে তোর এই অতি মাখামাখিটা আমার সংসার, আমার বাচ্চা, আমার লাইফ— সব কিছুতে ঝামেলা করে দিচ্ছে। এই যে দামালের তিন মাসের হলো রাইটস নিলা রাজ তুমি, তোমরা সবাই— এই হলো কাল এখন আমার জীবনের। এখন তোমাদের ব্যবসায়িক ছুতোয় আলাপ চলে রাত-দিন। বিশ্বাস করো তোমাদের এই মাঝ রাত্তিরের ফোনালাপ আমার সত্যিই প্রবলেম করে। আমি একা সারারাত বাচ্চাটাকে সামলাই। এসব বন্ধ করো।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আর এই যে জাজমেন্টাল যারা রয়েছেন, তাদের একটু দেখা উচিত আমি সত্যিই কতটা জেলাস ছিলাম। নেন কমেন্ট বক্সে দিলাম একটু নমুনা।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ নিউজ ২৪ আওয়ার
Theme Customized By Shakil IT Park