1. admin@news24hour.net : admin :
স্মার্ট অর্থনীতির দ্বার খুলে দিতে পারে টেকসই পর্যটন খাত - নিউজ ২৪ আওয়ার
বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:১২ অপরাহ্ন

স্মার্ট অর্থনীতির দ্বার খুলে দিতে পারে টেকসই পর্যটন খাত

  • প্রকাশিত : রবিবার, ৫ মার্চ, ২০২৩
  • ৩৮১ বার পঠিত

এক সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত আমরা বাঙালি জাতি। আমরা সেই দুঃসাহসী এবং মনোবল সমৃদ্ধ জাতি, যেই জাতি নিজের মাতৃভাষা ও প্রাণপ্রিয় দেশকে সশস্ত্র পরাধীন সন্ত্রাসী আক্রমণ থেকে এক রুক্ত ক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে মুক্ত করেছিলেন। এর বিনিময়ে বিসর্জন দিতে হয়েছিল আমার লক্ষ লক্ষ মা, বোন এবং ভাইয়ের বুকের তাজা রক্ত। নিজের মাতৃভাষা এবং দেশকে বাঁচাতে গিয়ে এতা লক্ষ লক্ষ জীবন ও তাজা রক্ত ঝরানোর ইতিহাস বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশের সশস্ত্র যুদ্ধ যেন একটি নির্মম ও বিভৎস কাহিনী। যা শুধু বাংলাদেশের ইতিহাসেই নয় বিশ্বের ইতিহাসেও একমহা কলঙ্কিত মানব হত্যাযজ্ঞ কাহিনী হিসেবে নিন্দিত এবং ঘৃণিত। আমরা সেই বীরের জাতি যে জাতি কখনো কোন পরাজয়ের নিকট দমিয়ে যাওয়ার মত নয়, মাথা নত করে পিছিয়ে যাওয়ার মত জাতি নয়। বাঙালি জাতি এক সংগ্রামী জাতি। সংগ্রাম করেই আমরা নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে শিখেছি। সংগ্রাম করে কিভাবে প্রত্যয়ী এবং প্রতিষ্ঠিত হতে হয় তা এই জাতি সব সময় প্রস্তুত?

১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের পর আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল অবকাঠামোগত উন্নয়ন। তাতে আমরা সফল হয়েছি। দেশের অর্থনীতি ও আর্থ-সামাজিক খাতকে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্ব অর্থনীতির প্রতিযোগিতায় শীর্ষ পর্যায়ে নেয়ার জন্য সরকার তথা আপামর জনগণের আন্তরিকতার কখনই কমতি ছিল না এবং ভবিষ্যতে ও থাকবে না। আমাদের মনে রাখতে হবে এই জাতি দমিয়ে যাওয়ার জাতি নয়। এই জাতি তাদের মেরুদন্ডকে সোজা রাখতে যে কোনো পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে প্রস্তুত।

আমাদের কি না আছে ? বিশ্বের দিকে তাকালে দেখা যাবে এই বীরের জাতির সোনার ছেলেরা বিশ্বের আনাচে কানাচে নিজেদের জানান দেয়ার জন্য একটুও থেমে নেই। তারা নিজেদের আত্ম মর্যাদাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দেশ-বিদেশে এক মহা কর্মযজ্ঞে লিপ্ত রয়েছে। নিজের দেশ এবং অর্থনীতিকে ফুটিয়ে তোলার জন্য অবিরত সংগ্রামের মাধ্যমে তারা নিজেদের এই জাতির নিকট অর্পণ করেছেন। তারা তাদের সুদক্ষ কর্ম দিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্ব মানচিত্রে যেমনি গর্বিত করেছেন, তেমনি তাদের রক্ত ঝরানোর বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়ে আমার প্রিয় সোনার দেশ বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা মজবুত এবং টেকসই করেছেন আমাদের অর্থনীতিকে। এখন প্রশ্ন হলো কেন তারা দেশ মার্তৃকার স্বার্থে নিজেদের অর্পণ করেছেন। কারণ একটাই দেশের শান্তি এবং নিরাপদ যোগ্য বসবাসের বাংলাদেশ চায় তারা। তারা দেশে তাদের রেখে যাওয়া মানুষগুলো যেন নিরাপদ, টেকসই এবং সুন্দর পরিবেশে বসবাস করে নিজেদের সুনাগরিক হিসাবে গড়তে পারে এই স্বপ্ন ভিশনে আমাদের প্রবাসী সোনার ছেলেরা সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। আমিও তাদের সাথে একমত হয়ে এই মুহূর্তে একটি সুশৃঙ্খল, টেকসই ও মজবুত অর্থনীতির বাংলাদেশ চাই। এই চাওয়া শুধু একা আমার নয়। দেশের ১৭ কোটি আমজনতার চাওয়া। স্বাধীনতার অর্ধশত বছরেও যদি আমরা এই অবস্থানে শক্তভাবে দাঁড়াতে না পারি তাহলে জাতি হিসেবে আমরা সত্যিই লজ্জিত। জাতি হিসাবে আমাদের সবই আছে। মানব সম্পদে আমরা বিশ্ব সেরা, কৃষি, মৎস্য, প্রাণী সম্পদেও আমরা ইচ্ছে করলে শতভাগ স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারি। আমাদের সর্ববৃহৎ রপ্তানি শিল্প, পোষাক শিল্প দিয়ে সারা বিশ্বকে আমরা মাতিয়ে রেখেছি। এই খাতের উন্নতি আরো সুশৃঙ্খল এবং শক্ত অবস্থানে ধরে রাখার জন্য একটি দেশপ্রেমিক, যোগ্য ন্যায় পরায়ণ ও উদার মনো ভাবাপন্ন দক্ষ নেতৃত্ব দরকার। আমার দৃষ্টিতে এই জাতির মাঝে কোন কিছুর ঘাটতি নেই। আছে বিশাল কর্মদক্ষতা, আছে অদম্য এক মানসিক মনোবল, আছে এক অবিস্মরণীয় প্রবল ইচ্ছা শক্তি। সর্ব দিকেই বাঙালি জাতি একটি স্মার্ট ও সুদক্ষ জাতি হিসেবে বিশ্ব অবয়বে আজকে প্রতিষ্ঠিত। এখন আমাদের শুধুই প্রয়োজন সুদক্ষ এবং ন্যায়পরায়ন নেতৃত্ব। যে নেতৃত্বের সুদৃষ্টি থাকবে ১৭ কোটি মানুষের উন্নয়নকে সমভাবে প্রতিষ্ঠিত করা।

শতভাগ রপ্তানিযোগ্য বিশাল পোশাক শিল্পখাত দিয়ে আমরা যেভাবে বিশ্বকে মাতিয়ে রেখেছি তেমনি এই জাতির জন্য আরেকটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের বিশাল সম্ভাবনার খাত হচ্ছে পর্যটন শিল্প। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে আমরা যদি সুশৃঙ্খল এই নিরাপত্তার বেস্টুনীতে গড়তে পারি তাহলে বিদেশী পর্যটকরা কেন! আমাদের দেশের পর্যটকরা আকৃষ্ট হবে। আমাদের সোনার ছেলেরা বিদেশ থেকে ডলার এনে দেশের পর্যটন শিল্পে দুহাতে খরচ করবে, আবার বিনিয়োগও করবে। কারণ আমাদের আবহাওয়া নাতিশীতেষ্ণ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ মনোরম ও মনোমুগ্ধকর। বিদেশীরা একবার ঘুরতে এসে যদি পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে ভ্রমণ করতে আনন্দ পায় তাহলে তারা প্রতিবছর তারা প্রতিবছর আমাদের দেশে ঘুরতে আসবে। আর তখনই বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অবারিত সুয়োগ সৃষ্টি হবে। বাংলাদেশে যত পর্যটনের স্পট রয়েছে সবগুলোকে সরকারের ব্যবস্থাপনায় ভ্রমণ এবং বিনোদন উপযোগী করে নজর কাড়া পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। সরকার যদি দেশের টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত ৭২০ বর্গকিলোমিটার উপক‚লীয় পর্যটন এলাকা জুড়ে অত্যাধুনিক পর্যটন নগরী গড়ে তুলতে পারে তাহলে আমাদের দেশী পর্যটকরাই আনন্দ উপভোগের জন্য দুহাতে টাকা খরচ করবে। তখন আমাদের অর্থনীতিতে অশ্বশক্তির মতো গতি ফিরে আসবে। আমার পরামর্শ থাকবে, আধুনিক পর্যটন শিল্প গড়তে দেশের সকল বড় বড় আবাসন ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের বিনিয়োগের বাধ্য করতে হবে। সরকারকে বড় বড় শিল্পপতি ও আবাসন শিল্প মালিকরা পর্যটন এলাকায় যখন অবাধে বিনিয়োগ করবে তখন দেশব্যাপি গড়ে উঠবে স্মার্ট, নিরাপদ ও আন্তর্জাতিকমানের পর্যটন কেন্দ্র। তখন এই পর্যটন শিল্পে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। শিক্ষিত ও স্বশিক্ষিত ছেলে মেয়েরা এই পর্যটন শিল্পে আত্মনিয়োগ করে তারা যেমনি সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে তেমনি অর্থনীতিতে এগিয়ে যাবে দেশ।

বাংলাদেশে আগামী প্রজন্মের জন্য দেশী ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে এই পর্যটন শিল্প একটি বিপুল সম্ভাবনাময় শিল্প। এই শিল্পের অবারিত উন্নয়নে সরকারকে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের গার্মেন্টস শিল্প দিয়ে আমরা যে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছি। সরকার যদি আন্তরিক হয় তাহলে অল্প বিনিয়োগেই এই সম্ভাবনাময়ী পর্যটন খাত থেকে কাঁড়ি কাঁড়ি দেশী বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব হবে। ১৯৭১ সালে পাকহানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে এ দেশের মুক্তিকামী জনতা এক সশস্ত্র যুদ্ধ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিল আর সেই স্বাধীনতার সুফল হিসাবে আজ ১৭ কোটি মানুষ স্বাধীনতার স্বাদ ভোগ করছে। তৎকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধু ঢাকার এক বিশাল জনসভায় বলেছিলেন আমরা বিশ্বের ৮ম শক্তি। তিনি জোর করে বলেছিলেন, জনশক্তিতে আমরা বিশ্বের ৮ম শক্তি। তাই আমাদের অর্থনীতির অবারিত দ্বার উন্মোচনের জন্য এই সম্ভাবনাময় জনশক্তিকে কাজে লাগানোর এখনই মোক্ষম সময়। দেশ বিদেশে এদের কাজের সুযোগ করে দিলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এক মহা বিপ্লব ঘটবে বলে আমার দৃঢ়বিশ্বাস। আর এই কঠিন পদক্ষেপের কান্ডারী হতে পারেন আমাদের মাননীয় সরকার প্রধান। তাঁর নিকট থেকে একক সিদ্ধান্ত আসলেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার অর্থনীতির বেইজমেন্ট হবে কঠিন ইস্পাতের মতো। স্মার্ট অর্থনীেিত গর্জে উঠবে বাংলাদেশ। মাননীয় সরকার প্রধান দেশের ৭২০ বর্গকিলোমিটারের নদী সাগর উপক‚লীয় অঞ্চলের প্রতি সুদৃষ্টি দিয়ে যদি সেগুলোকে আন্তর্জাাতিক মানের পর্যটন এলাকায় রুপান্তরিত করতে পারেন তাহলে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের সেরা পর্যটনের দেশ। সরকারের একক সিদ্ধান্তে যদি বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত টেকসই, দৃষ্টিনন্দন এবং নিরাপদ নজর কাড়া পর্যটন নগরীতে রুপ নেয় তাহলে আমি কথা দিতে পারি বিদেশী পর্যটকরা শুধু আকাশ পথেই নয় জল পথেও আনন্দ ভ্রমণে আসতে দ্বিধা করবে না। ৫৫ হাজার বর্গমাইলের দেশ বাংলাদেশ। নিরাপদ নিরিবিলি পর্যটনের এক বিশাল সম্ভাবনার দেশ এই বাংলাদেশ। মহান আল্লাহপাক বাঙালি জাতির জন্য বাংলাদেশকে এক নেয়ামত হিসাবে দান করেছেন। বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের প্রতিটি মাটির কনা, প্রতিটি প্রকৃতি যেন আল্লাহপাক সোনায় মুড়িয়ে এক উর্বর শক্তিতে বলিয়ান করে আমাদের উপহার দিয়েছেন। তাই আমাদের উচিত হবে এই নেয়ামতকে স্বযত্নে লালন করা। আমার দেশের যত বড় বড় ব্যবসায়ী, শিল্পপতি গুণী মানুষ এবং দেশপ্রেমিক রয়েছেন, তাদের নিকট আমার আহ্বান থাকবে আর বিদেশ ভ্রমণ নয়, চোখ মেলে তাকান? মুন খুলে ভাবুন? কি অপার সম্ভাবনাময় আমার সেনার বাংলা? আমরা যদি কারুকার্য খচিত রূপ দিয়ে এই বাংলার নদী বিধৌত এশিয়ার সর্ববৃহৎ টুরিষ্ট অঞ্চলকে অলংকৃত করতে পারি তাহলে বিশ্বমানচিত্রে এই সোনার ছোট্ট ভুখন্ডটি হীরার টুকরো হিসাবে লক্ষ কোটি পর্যটকের চোখের মনি হিসাবে আকৃষ্ট হবে। আমাদের শুধুই প্রয়োজন হবে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ এবং প্রয়াস। আর সেই প্রয়াসের অংশ হিসাবে আমরা কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে এবং কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে গোল্ডস্যান্ডস হোটেল এন্ড রিসোর্টস লিঃ কোম্পানির মাধ্যমে ফোর স্টার, ফাইভ স্টার ও সেভেন স্টার হোটেল নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছি এবং তা বাস্তবে রূপান্তরিত হয়েছে। আমি বা আমরা কথায় বিশ্বাসী নই, নকলে বিশ্বাসী নই, আসলে বিশ্বাসী। আপনারা আমাদের সত্য বাস্তবায়ন দেখে আসুন। ঘুরে আসুন কক্সবাজার ও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে। দেশবাসী তথা ব্যবসায়ী শিল্পতি ভাইবোনদের আহ্বান জানাচ্ছি, আর বিদেশ নয়, দেশের মাটিতেই আমরা সোনা ফলাতে পারি। দেশের মাটিতেই বিনিয়োগ করে সুলভ লাভ এবং মুনাফার দ্বার উন্মোচন করতে পারি। শুধু দরকার আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন। আমার মতে দেশের পর্যটন খাত হলো আপনার আমার বিনিয়োগের একমাত্র নির্ভেজাল প্রত্যাশা আর ভরসার স্থল। পর্যটন খাতে বিনিয়োগ করলে কোন ঝুঁকি নেই, সরকারের পাশাপাশি আমরা যারা দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরানোর সহায়ক সহযোগী ব্যবসায়ী শিল্পপতি রয়েছি সবাই মিলে যদি সৎভাবে সৎনিয়তে পর্যটন খাতের প্রতি ঝুঁকে পড়ি আমার বিশ্বাস, অল্প দিনেই আমাদের পর্যটন শিল্প, গার্মেন্টস শিল্পের মত বিশ্বকে মাতাবে। আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশ, বায়ু, পানি মাটি সবই আল্লাহর মেহেরবানীতে পর্যটনের জন্য সময়পোযুগী। আমরা এই সুযোগকে কাজে লাগাতে চাই। আমাদে যত নদী সাগর অঞ্চল, তথা পাহাড়ী অঞ্চল রয়েছে তাতে যদি টেকসই পরিকল্পিত পরিকল্পনার মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দন করে পর্যটন নগরীতে সাজাতে পারি তাহলে বিশ্বের যত নামীদামী পর্যটন রয়েছে তা আমাদের পর্যটন খাতের নিকট হার মানবে। আমরা কেন সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, কানাডা,অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, আমেরিকা, জাপান বিনোদনের জন্য ঘুরতে যাবো? কেন আমাদের কষ্ট দিয়ে অর্জিত মুদ্রা বিদেশের মাটিতে অপচয় করবো ? আসুন আমরা সবাই মিলে শস্য শ্যামল সবুজে ঘেরা প্রিয় সোনার বাংলায় নন্দিত সৌরভের পর্যটন শিল্প গড়ি নিজেরা আনন্দে মেতে উঠি, আনন্দ বিলাস ভোগে জেগে উঠি এবং দেশী-বিদেশী পর্যটকদের জন্য খুলে দেই অবারিত সুযোগ-সুবিধার দুয়ার।

লেখকঃ মো: নুরুল আমিন,পর্যটন বিশেষজ্ঞ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ নিউজ ২৪ আওয়ার
Theme Customized By Shakil IT Park